Select Menu

Random Posts

SPORTS

DAILY HACKS

EDUCATION

HEALTH

MAKE MONEY ONLINE

News

TRAVEL

» » » জয়ের পথ দেখান যাঁরা

বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে কান পাতলেই শোনা যায় তারুণ্যের জয়গান। মাশরাফি বিন মর্তুজা কি সাকিব আল হাসান, সবাই মুস্তাফিজুর রহমান-সৌম্য সরকারের গুণমুগ্ধ। ভক্তের মিছিল দেখে বিজ্ঞাপনের বাজারেও চড়া দাম মুস্তাফিজদের। কিন্তু বাংলাদেশ দলে সাফল্যের আলোকবর্তিকা জ্বালিয়েছেন সিনিয়র ক্রিকেটাররাই। মাশরাফি বিন মর্তুজা, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মাহমুদ উল্লাহ এবং নাসির হোসেনের ওয়ানডে ক্যারিয়ার ঘেঁটে সেটাই তুলে ধরেছে কালের কণ্ঠ স্পোর্টস।   
৬ নভেম্বর, ২০১৫ ০০:০০


জয়ের পথ দেখান যাঁরা


মাশরাফি বিন মর্তুজা : দলের অধিনায়ক, অভিজ্ঞতায়ও দলের সবার চেয়ে এগিয়ে মাশরাফি বিন মর্তুজা। ২০০১ সালে অভিষেকের পর এ পর্যন্ত ১৫৭টি ওয়ানডে খেলেছেন তিনি। এর মধ্যে জিতেছেন ৬৬ ম্যাচ। ১০ ম্যাচে সেরার পুরস্কার জেতা মাশরাফি ম্যান অব দ্য সিরিজ হয়েছে দুইবার।
১৫৭টি ওয়ানডেতে ৩০.৮৮ গড়ে মাশরাফি উইকেট নিয়েছেন ২০০, যা দেশের পক্ষে তৃতীয় সর্বোচ্চ। তবে বাংলাদেশের জেতা ম্যাচে সে রেকর্ডটা আরো উজ্জ্বল, ২০.৬৩ গড়ে ১১১ উইকেট। ব্যাটসম্যান মাশরাফির বেলাতেও পার্থক্যটা চোখে পড়ার মতো। ক্যারিয়ার ১৪.৫৭ কিন্তু জেতা ম্যাচে সেটা ২২.৬২। বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ২৫ ওয়ানডেতে, জিতেছেন ১৭টি। সাফল্যের হারে বাংলাদেশে সবচেয়ে এগিয়ে মাশরাফিই।
মুশফিকুর রহিম : মাশরাফি বিন মর্তুজার বছর চারেক পর ২০০৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক মুশফিকুর রহিমের। বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক ওয়ানডেতেও ম্যাচ উইনার। ১৫৫ ম্যাচের ৬৮টিতে জয়ের সাক্ষী তিনি। ম্যাচ আর সিরিজসেরা হয়েছেন তিনবার করে।
১৫৫ ম্যাচে ৩১.১০ গড়ে ৩৭৬৪ রান মুশফিকুর রহিমের। কিন্তু দলের জয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চওড়া হয়েছে তাঁর ব্যাট। জয়ের সাক্ষী ৬৮ ওয়ানডেতে মুশফিকের ব্যাটিং গড় ৪১.৩২। বোলিং করেননি কখনো, তবে উইকেটের পেছনে অতন্দ্রী প্রহরী মুশফিকের মোট ডিসমিসাল ১৬০ (ক্যাচ ১২৩, স্টাম্পিং ৩৭), যা বাংলাদেশি কোনো উইকেটকিপারের সেরা সাফল্য। ওয়ানডেতে ৩টি সেঞ্চুরির এ মালিককে মনে করা হয় দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানও।
সাকিব আল হাসান : আন্তর্জাতিক অভিষেক বিবেচনায় তিনজনের চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও নৈপুণ্যে সবার চেয়ে এগিয়ে সাকিব আল হাসান। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ১৫৬ ম্যাচে জিতেছেন ৭১ বার, এত বেশি জয়ের স্বাদ আর কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারের ভাগ্যে জোটেনি। ম্যাচ (১৪) আর সিরিজ (৫) সেরাতেও সবার চেয়ে এগিয়ে সাকিব।
৩৫.৩৩ গড়ে ৪৩৮২ রান করা সাকিব আল হাসানের ব্যাটিং গড় পঞ্চাশ ছাড়িয়ে বাংলাদেশের জেতা ম্যাচগুলোয় ৫১.২২। ২০১ উইকেট তাঁর ২৮.৩৫ গড়ে। তবে জিতলে সেটা আরো আকর্ষণীয়, ২২.৪৫। ওয়ানডে ব্যাটিং আর বোলিংয়ে যথাক্রমে তামিম ও আব্দুর রাজ্জাকের (২০৭) পরেই সাকিব। তবে গড় বিবেচনায় দুটি বিভাগেই দেশসেরা তিনি। সঙ্গে ফিল্ডিং যোগ করলে অন্যদের চেয়ে আরো এগিয়ে রাখতে হবে সাকিবকে।
তামিম ইকবাল : ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে বিস্ফোরক ফিফটিতে তাক লাগিয়ে দেওয়া তামিম ইকবাল বিনা তর্কে দেশের সেরা ওপেনার। নিজের খেলা ১৫০ ম্যাচের ৬০টি জয়ের আনন্দ নিয়ে ফিরেছেন তিনি। ম্যাচসেরা হয়েছেন আটবার আর ম্যান অব দ্য সিরিজ দুইবার।
২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষিক্ত তামিম এখন বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে রানের (৪৫৮১) মালিক। গড় ৩১.৩৭। তবে বাংলাদেশের জেতা ম্যাচে তামিমের ব্যাটিং গড় ৪২.০৮। চোখে পড়ার মতো ইনিংস খেলার জন্য বিখ্যাত তিনি। সেটার ইঙ্গিত আছে তামিমের বাউন্ডারি সংখ্যায়। ৫২৩টি বাউন্ডারি ও ৫৯ ছক্কা যোগ হয়েছে তাঁর ওয়ানডে ক্যারিয়ারে। দুর্দান্ত ফিল্ডার হিসেবে সুনাম না থাকা সত্ত্বেও তামিম ক্যাচ নিয়েছেন ৩৫টি, যা বাংলাদেশি আউট ফিল্ডারদের মান বিবেচনায় মন্দ নয়।
মাহমুদ উল্লাহ : কেউ মনে রাখে না তাঁকে! তাই আড়ালের মানুষই হয়ে আছেন মাহমুদ উল্লাহ। অনেকটা নীরবেই খেলে ফেলেছেন ১২২ ওয়ানডে, যার ৫২টিতে জিতেছে বাংলাদেশ। এখনো সিরিজসেরা হতে না পারলেও ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার জিতেছেন চারবার।
মাহমুদ উল্লাহ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান। বিশ্ব আসরে দুই সেঞ্চুরির রেকর্ডটাও তাই তাঁরই দখলে। ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সময় লোয়ার অর্ডারে খেলা এ অলরাউন্ডার ২৫৬৪ রান করেছেন ৩৩.৭৩ গড়ে। যথারীতি দলের জয়ের ছাপ আছে মাহমুদ উল্লাহর ব্যাটেও, সেসব ম্যাচে তাঁর ব্যাটিং গড় বেড়ে ৪৫.৭৩। বোলিংয়েও তাই। ৪৩.৩০ গড়ে ৭০ উইকেটের মালিকের জেতা ম্যাচে গড় কমে ৩২.১০। ৩৮টি ক্যাচ মাহমুদ উল্লাহর ফিল্ডিং দক্ষতার পরিচায়কও।
নাসির হোসেন : ২০১১ সালে অভিষেকের বছরই ব্যাটিং গড়ে তিন ফরম্যাটেই দলের সবাইকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন নাসির হোসেন। মাঝে দুঃসময় গেছে, বাদও পড়েছিলেন তিনি। তবে ফিরেছেন দাপটের সঙ্গে। ৫৩ ম্যাচে ২১ বার জয়ের আনন্দ নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন নাসির। 'ফিনিশার'খ্যাত নাসির ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার জিতেছেন একবার।
৫৩ ম্যাচে নাসির হোসেনের মোট রান ১১৯০, গড় ৩৪। সে গড়টাই পঞ্চাশ ছাড়িয়ে গেছে জেতা ম্যাচে, ৫০.৭১। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে অফ স্পিন সামর্থ্যটা ঠিকঠাক ব্যবহার করলে নাসিরের উইকেট সংখ্যা ১৫-তে আটতে থাকত না হয়তো। এর ১১টি নাসির নিয়েছেন বাংলাদেশের জেতা ম্যাচে। বোলিংয়ে ক্যারিয়ার গড় যেখানে ৪৩.২৬ সেখানে জেতা ম্যাচে ২৭.৮১।
SOURCE

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments

Leave a Reply